Site icon Daily Dhaka Press

‘স্মার্ট সিটিজেন গড়তে প্রয়োজন দক্ষতার সাথে মানবিকতা’

জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) উদ্যোগে ‍ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্টস এর ইউনিভার্সিটি অ্যাকটিভেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ সামসুল আরেফিন বলেন স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করতে দক্ষতার সাথে মানবিকতার গুণ থাকা জরুরী।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেজন্য আমাদের সবচেয়ে বেশি ‍গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে স্মার্ট সিটিজেন। একই সঙ্গে নাগরিকদের মানবিক গুণাবলী থাকতে হবে। আমাদের জন্য খুব জরুরি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। এর জন্যও সবচেয়ে বড় জায়গা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে পারলে তারা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য অনেক বেশি অবদান রাখতে পারবে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে এ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি দেশের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা থাকাটাও জরুরী। এজন্য দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি আমাদের মানবিকও হতে হবে। কারণ আমরা তো মেশিন নই। দক্ষতা অর্জন করে তা দেশের কল্যাণে উৎসর্গ করার মানসিকতা থাকতে হবে। তবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণদের থেকে আমরা স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করতে পারবো এবং দক্ষতা উন্নয়নে এসব কর্মসূচি সুফল বয়ে আনবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম বলেন, ভিশন ২০৪১ অনুযায়ী স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহযোগীতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তাদের এই প্রচেষ্টাকে আমি সাধুবাদ জানাই।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছে আমার চাওয়া তোমরা এই সুযোগ কাজে লাগাবে। নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে নিজেদেরকে স্মার্ট সিটিজেনে পরিণত করবে। আমি বিশ্বাস করি, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এসব প্রকল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল সিটিজেন তৈরির এ উদ্যোগ নিশ্চিতভাবে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ উপহার দিবে।

অনুষ্ঠানে আইআইটি’র প্রভাষক আফরীন আহেমদ ও মো. মাহমুদুর রহমানের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার এবং উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

Exit mobile version