
সিইসি বলেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের। ইসির কাজ শান্তিপূর্ণ ভোট আয়োজন করা। সার্বিক বিশ্লেষণে নির্বাচন ভালো হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ হলে বেশি সন্তুষ্ট হতো। নির্বাচনে পুলিশ ও প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এর আগে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া ১৯টি উপজেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ রোববার (৯ জুন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন গণনা চলছে। এই ১৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানায়, নেত্রকোণার খালিয়াজুরী, বাগেরহাটের শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ ও মোংলা, খুলনার কয়রা, পাইকগাছা ও ডুমুরিয়া, বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া, পটুয়াখালীর পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ভোলার তজুমদ্দিন ও লালমোহন এবং বরগুনার বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচন শুরু হয়। এরপর ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি, ২৯ মে তৃতীয় ধাপে ৮৭টি এবং পাঁচ জুন চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.