Daily Dhaka Press

পানছড়ি ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ

রায়হান আহমেদ, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মৃত্যুর

পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও বিধি অনুযায়ী অধ্যক্ষ নিয়োগ না করে তথ্য গোপন করে সুপারেনটেনডেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। জানা যায় অনেকটা লোক চক্ষুর আড়ালে এবং গোপনে বহুল প্রচারিত নয় এমন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, এবং গোপনে সুপারেনটেনডেন্ট নিয়োগ সম্পন্ন করেন। এতে ক্ষুব্ধ উক্ত প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। আলিম মাদ্রাসা কে বাঁচিয়ে রাখতে ছাত্র-ছাত্রীদের আকুল আবেদন। কারন পানছড়িতে একমাত্র ঐতিহ্যবাহী আলিম মাদ্রাসা এই প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠানটিতে যদি আলিম শাখা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দুর্ভোগের শিকার হতে হবে এবং ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে।

উক্ত প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইমরান হোসাইন বলেন, আমাদের এই আলিম মাদ্রাসাটি একসময় সুনামের সাথে পাঠদান চালিয়েছে। বর্তমানে এই কাশেম হুজুরের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আলিম শাখাটি বাতিল করার নীল নকশা চলছে, আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করব। উক্ত নিয়োগ বাতিল করে অধ্যক্ষ নিয়োগের মাধ্যমে পানছড়ি ইসলামিয়া সিনিয়র(আলিম) মাদ্রাসাটিকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করার। এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ও উক্ত প্রতিষ্ঠানে অডিট এর মাধ্যমে অনিয়ম প্রক্রিয়ায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সুপারেনটেনডেন্ট আবুল কাশেম বলেন, সবকিছু নিয়মমাফিক হয়েছে আলিম মাদ্রাসাটি এমপিও না হওয়ার কারণে দাখিল দেখিয়ে সুপারেনটেনডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ডি জির প্রতিনিধি মাওলানা আবুল ফারাহ ফরিদ উদ্দীন বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি আলিম পাঠদান চলমান আছে তা আমাকে জানানো হয়নি। আমাকে জানানো হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি দাখিল মাদরাসা।

Exit mobile version