প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সকলের জন্য সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট সেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন গ্রাহক অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, গত ১৭ তারিখ থেকে সারা দেশে বন্ধ হয়ে গেছে মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা এবং ১৮ তারিখ থেকে সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ আছে। এতে করে ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সাথে ইন্টারনেট সুবিধাভোগী আরো ৫ কোটি গ্রাহক ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এছাড়া ব্যাবসা বাণিজ্য, শিল্প কারখানা, চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যাংক- বীমা, সফটওয়্যার শিল্পে ধস নেমেছে। একই ভাবে টেলিযোগাযোগ শিল্পে ৩০ শতাংশ ব্যাবসা কমেছে। সরকারি সকল ইউটিলিটি গ্রাহকদের বিশেষ করে গ্যাস, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি, এটিএম বুথে টাকা উত্তোলন, মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় ব্যাপক বিপর্যয় নেমে এসেছে। সব মিলিয়ে দৈনিক গ্রাহকদের খতির পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। তাই সারা দেশে দ্রুত মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সাথে ইন্টারনেটের সকল এক্সেস ব্যবহার করা যায় সেই ব্যবস্থা সরকারকে করা । ইন্টারনেট এখন শুধু কথা বলার জন্য না। এই মাধ্যম এখন আন্তর্জাতিক ভাবে জাতিসংঘ ঘোষিত মৌলিক মানবাধিকার। পাশাপাশি সরকারের ও বিটিআরসির কাছে আমাদের দাবি জানিয়েছেন যে, অব্যাহত ইন্টারনেট ডাটা ইন্টারনেট সেবা চালুর সাথে সাথে ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে। কোন ভাবেই পরের রিচার্জ এর সাথে যুক্ত করা যুক্তিযুক্ত নয়। কারণ গ্রাহক ইতিমধ্যে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। একইভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় এক দেশ এক রেট গাইড লাইন অনুসারে একটানা ৩ দিন বন্ধ থাকলে ১৫ দিনের বিল পরিশোধ না করতে ও ৭ দিন একটানা বন্ধ থাকলে সারা মাসের বিল না দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৬ দিন একটানা বন্ধ হয়ে আছে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট। তাই নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির কাছে আবেদন জানিয়েছেন আগস্ট ২০২৪ মাসের বিল গ্রাহকদের কাছে যাতে না নেয়া হয় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।
সেই সাথে গ্রাহকদের কাছে অনুরোধ করছেন কোন ভাবেই যেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ায় এবং ভয়ভীতি তৈরি হয় এমন কিছু পোষ্ট না করতে। দেশের সুনাম ক্ষুন্ন হয় বহির্বিশ্বে এমন কিছু বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।

