কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরে হামলা ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে অধিদফতরের সামনে ২৩টি গাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়া আরও ২৮টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। হামলার ছয়দিন পরেও এ ঘটনার ছাপ বয়ে বেড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানটি। গাড়ির কঙ্কাল, ধোঁয়ার দাগ আর ভাঙচুরের ক্ষতচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সরজমিনে মহাখালী কাঁচাবাজারস্থ স্বাস্থ্য অধিদফতরের পুরাতন ভবন ঘুরে এসব চিত্র দেখা যায়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মূল গেইট পার হতেই দেখা যায় সারি সারি পোড়া গাড়ি পড়ে আছে। অধিদফতরের শহীদ ডা. মিলন ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা প্রায় প্রত্যেকটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এর পাশেই অধিদফতর ভবনের মূল ফটকের সামনে ও আশেপাশে থাকা সব কয়টি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে তারা। রক্ষা পায়নি প্রবেশপথে থাকা অধিদফতরের মহাপরিচালকের গাড়িও। পুড়ে ছাই হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধানের গাড়ি। তার পাশেই থাকা স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটো মিয়ার গাড়ির কাঁচ ভাঙচুর করা হয়েছে। গাড়ির পেছনের দিকের কাঁচ ভেঙ্গে আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালানোর চিত্র দেখা যায়।
এদিকে, ডা. মিলন ভবনের সমানের গাড়িতে আগুনের সময় ভবনটিতে অবস্থিত স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের দেয়াল পুড়ে গেছে। তবে হামলার ঘটনায় এমআইএস শাখার সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অধিদফতরের সামনে থাকা প্রায় সবকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও ভবনের প্রধান ফটক ও ভবনের গ্লাসসহ ভাঙচুর করা হয় বিভিন্ন অফিসের ২৮টি গাড়ি। তবে সরজমিনে ১৯টি গাড়ির পুড়া অংশ ও অসংখ্য গাড়ি ভাংচুরের চিত্র দেখা যায়।

