
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের এক পর্যায়ে অচল হয়ে পড়ে রাজধানী। সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। রাজধানীর যেসব এলাকায় বেশি সংঘাত হয় এর মধ্যে অন্যতম যাত্রাবাড়ী-শনির আখড়া। এ দুটি এলাকায় মৃত্যু হয় বেশ কজনের। হানিফ ফ্লাইওভারের যাত্রাবাড়ী কাজলা পাড়ের দুটি টোল প্লাজাও আগুনে ভস্মিভূত হয়।
আতঙ্কে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ প্রায় এক সপ্তাহ ছিলেন ঘরবন্দি। গত শুক্রবার রাতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে এলাকাসীর মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সেই সঙ্গে রয়েছে ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন।
যাত্রাবাড়ী,কাজলা ও শনির আখড়া এলাকা ঘুরে ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। শনির আখড়ায় কথা হলো আতিকুর রহমানের সঙ্গে। তিনি এই এলাকায় দীর্ঘদিন ভ্রাম্যমাণ দোকানে ফলের রস বিক্রি করেন। আতিকুর ঢাকা প্রেসকে বলেন, ৮ দিন পরে দোকান খুলেছি। গোলাগুলির শব্দে ভয়ে ৮ দিন ঘর থেকে বের হইনি। কষ্টে দিন কাটিয়েছি। এখনও ৫ টায় পুলিশ দোকান বন্ধ করতে বলে। আমরা নির্ভয়ে ব্যবসা করতে চাই।
একই এলাকায় একটি বেসরকারি ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী রুবেল মিয়া জানান, কয়েকদিন যে কী আতঙ্কে দিন পার করেছি বলে বোঝাতে পারব না। ১৯ ও ২০ জুলাই এক মুহূর্তের জন্যও নিচে নামিনি। এই দুদিন শুধু বিস্কুট আর পানি খেয়ে থেকেছি। সহিংসতার কথা মনে হলে এখনও শিউরে উঠি। তবে সেনাবাহিনী থাকার ফলে আতঙ্ক কেটে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালোই আচরণ করছে।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.