Site icon Daily Dhaka Press

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের মানববন্ধন

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-শিক্ষক ও অভিভাবকদের জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন। ২০২৫ থেকে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন প্রসঙ্গে ও NCTB, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক, রাজনৈতিক সিন্ডিকেট, গভর্নিং বডির সদস্যদের সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং করণীয়-বর্জনীয় ক্ষেত্রে যৌক্তিক দাবি উপস্থাপনের আলোকে “জাতীয় শিক্ষা সংস্কার ফোরাম” কর্তৃক আয়োজিত মানববন্ধনে জাতির জাগ্রত বিবেক দেশের স্বার্থে, শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের স্বার্থে, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে যে কোনো কাজে সরকারকে সহযোগিতা করতে সর্বদা প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন। দাবি সমূহ নিচে উপস্থাপন করা হয়েছে:

০১. ২০২১ এ প্রণীত শিক্ষাকারিকুলাম বাতিল করে ২০২৫ সাল থেকে সর্বজনস্বীকৃত আধুনিক যুগ-উপযোগী শিক্ষাকারিকুলাম প্রণয়ন করতে হবে (যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে পরীক্ষা পদ্ধতি, গ্রেডিং পদ্ধতি, তথ্য নির্ভর পাঠ্যপুস্তক। বিজ্ঞান, ICT এবং ইংরেজি ভাষার শিক্ষার ক্ষেত্রে উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে অনুশীলনমূলক পাঠ্যপুস্তক রচনা করতে হবে।

০২. শিক্ষকদের দ্রুত পাঠদানের সক্রিয় করতে হবে (সেক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্ট ভিত্তিক পাঠদান বাদ দিয়ে বিষয় ভিত্তিক মৌলিক তথ্য শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং বিতর্কিত পাঠ, পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দিতে হবে)।

০৩. অ্যাসাইনমেন্ট ভিত্তিক মূল্যায়ন বাদ দিয়ে সৃজনশীল, কাঠামোবদ্ধ ও MCQ পদ্ধতির সমন্বয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফলাফল প্রদান করতে হবে।

০৪. নতুন পাঠ্যপুস্তক রচনা ও কারিকুলাম প্রণয়নে দেশসেরা শিক্ষাবিদ, গবেষক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে। যারা পাঠ্যপুস্তক ও কারিকুলাম রচনায় ভূমিকা রাখবে।

০৫. NCTB থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, কর্মকর্তা, গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ যারা সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে জড়িত তাদেরকে দ্রুত অপসারণ করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

০৬. সৎ ও দক্ষ নতুন প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ দিতে হবে। প্রতিষ্ঠান এবং পেশাগত শিক্ষকদের কোচিং ও ভর্তি বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। ৬. দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সন্ত্রাস, দখলদারিত্বের রাজনীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত ঘোষণা করতে হবে।

০৭. সকল শ্রেণীর ইসলাম ধর্মের পাঠ্য বইতে হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ধর্ম শিক্ষক হিসেবে আলেম, হাফেজ বা ধর্ম জ্ঞান সমৃদ্ধ শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। মুসলিম ছাত্রীদের হিজাব পরিধানে যারা বাধা দেয়তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করতে হবে। গবেষণা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষা ক্ষেত্রে বাজেট ও বেতন বাড়াতে হবে। ১. নবম শ্রেণীর কারিকুলাম এ বছরই পরিবর্তন করতে হবে এবং বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক শাখা পুনরায় বহাল করতে হবে।

০৮. বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে দাবি জানিয়েছেন।

Exit mobile version