প্রসেনজিত চৌধুরী: রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সমূহে হুমকি, লাঞ্ছনা, মিথ্যাচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সমূহে কর্মরত ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ। বক্তারা বলেন তারা সকল তথ্য উপাত্ত উল্লেখ করে বারবার মহাপরিচালক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর বরাবর আবেদন দিলেও তাদেরকে হয়রানি মূলক বদলিসহ, বেতন বন্ধ পর্যন্ত রাখা হয়েছে।
তারা বার বার বঞ্চিত ও হয়রানির শিকার হওয়ার পরেও সুবিচারের জন্য মহমান্য হাইকোর্টে রিট পিটিশন ৫৭২১/২০২৪ দায়ের করি। সিন্ডিকেট চক্র- রিট পিটিশনেও ক্ষমতা প্রয়োগ করে তাদের পক্ষ্যের আদেশকে ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে। পরবর্তীতে অন্তঃবর্তীকালীন সরকারের বিচার ব্যবস্থা পূর্ণঃগঠনের পর সুবিচারের আশায় আপিল করি যা মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনে ২৮/১০/২০২৪ তারিখ শুনানির দিন ধার্য্য করেছে। এই বিষয়টিকে কে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে তাদের ব্যপারে ভুল তথ্য দিয়ে উক্ত উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরবৃন্দ ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাশিয়। বর্তমান সরকারকে বিপদে ফেলা সহ একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

যার ফলে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে তাদেরকে বের করে দেয়া, নেমপ্লেট ভাঙা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করে অশ্লীল মন্তব্য সহ হোয়াটসএ্যাপ গ্রুপে হত্যার পরিকল্পনা করছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় আমরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় আছে বলে জানিয়েছেন।
নিয়ম বহির্ভূতভাবে ও হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে অধিদপ্তর কর্তৃক অযৌক্তিক কর্ম পরিধি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। উক্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করে তাদের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন জেলার জেলা-প্রশাসক বরাবর আবেদন দেওযা হলেও অদ্যাবদি কোন ফলপ্রসূ পদক্ষেপ দৃষ্টিগোচর হয় নাই। তাই প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে তাদের যথাযথ দাবিগুলো এবং বর্তমান পরিস্থিতি অনুসন্ধানসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দপ্তরে তুলে ধরার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।