Site icon Daily Dhaka Press

ইবির গ্রীন ভয়েসের সভাপতি ইমন, সম্পাদক মুরাদ

ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ইমতিয়াজ আহাম্মেদ ইমন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মিলন রানা মুরাদ।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে গ্রীন ভয়েসের প্রধান সমন্বয়ক আলমগীর কবিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে হাফসা মেহেদিন শ্রাবণী ও নাহিদ কামাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল কাফী ও হাসিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক তনিমা খাতুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে শহিদুল ইসলাম এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ইনসানুল ইমাম মনোনীত হয়েছেন।

এছাড়াও অন্যান্য পদের মধ্যে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মমিনুল ইসলাম, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সালমান খান, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক হাবিবা আক্তার হাফসা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আল-আমিন বিশ্বাস, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সুবংকর রায়, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মহিমা খান, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রাইসুল ইসলাম এবং ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ইসমাইল আহমদ তালহা ও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে এখলাস উদ্দীন সজল, তাসনুভা তাবাচ্ছুম ঐশি, মোছা: ফাতেমা, ফয়সাল মোল্লা ও মোছা: রিয়া খাতুন মনোনীত হয়েছেন।

কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন কলা অনুষদের ডিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আল মোহিত, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আরমীন খাতুন ও জিওগ্রাফী এন্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনিসুল কবীর।

নবনিযুক্ত সভাপতি ইমতিয়াজ আহাম্মেদ ইমন বলেন, যুবরাই লড়বে সবুজ পৃথিবী গড়বে স্লোগানকে ধারণ করে গ্রীন ভয়েস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চাই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে ভবন নির্মাণ করা এবং সবুজায়ন নিশ্চিত করা হোক। বর্তমান প্রশাসনের নিকট আহবান থাকবে কোন স্থাপনা তৈরীর পূর্বে যেন নির্দিষ্ট রোডম্যাপ অনুসরণ করে কাজ করা হয় এবং ক্যাম্পাস সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরের দোকান গুলোতে পলিথিন নিষিদ্ধ করে বিকল্প হিসেবে পাট অথবা কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

Exit mobile version