
সংগঠনটির সভাপতি আবু নাসির খান এবং মহাসচিব মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন কমিটি ও বিধি অনুবিভাগ গণকর্মচারীদের মধ্যে সৃষ্ট এ বৈষম্যটি নিরসনে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের নিয়ে তামাশা করছেন। ২০১২ সাল থেকে সংগঠন পক্ষ থেকে পদবি বৈষম্য নিরসনের জন্য আন্দোলন করা হলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শুধু কমিটি আর প্রতিবেদন এর মধ্যে আছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখের পত্রে দপ্তর থেকে প্রস্তাব প্রেরণের মাধ্যমে পদনাম ও বেতনস্কেল পরিবর্তন করা হবে মর্মে সকল দপ্তরের সচিব পর্যায়ে পত্র প্রেরণ করা হয়।
এ যাবত ৩১টি অধিদপ্তর থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব প্রেরণ করা হলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ হঠকারী এবং স্ববিরোধী মতামত দিয়ে প্রতিটি প্রস্তাব ফেরত প্রদান করেন। ইতোমধ্যে সরকার সমস্কেল ও নিম্ন বেতন স্কেলের কর্মচারীদের মধ্যে রক সুপারভাইজার, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, নার্স, অডিটর, খাদ্য পরিদর্শক, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশের এসআইসহ অসংখ্য পদের পদবি ও বেতন স্কেল উন্নীত করা হয়েছে। অথচ অধিদপ্তর, দপ্তর, সংস্থার দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রিধারী এ পদগুলোর পদবি পরিবর্তন না করে সচিবালয়ের সঙ্গে দপ্তর সংস্থার কর্মচারীদের মধ্যে ২৯ বছর যাবত আমলাতান্ত্রিক বৈষম্য সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে।
ইতঃপূর্বে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ৩ বার বৈষম্যটি নিরসনের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও কেন বাস্তবায়ন হচ্ছে না তা আমাদের বোধগম্য নয়। বাংলাদেশ সচিবালয়ের ভেতরে ও বাইরে সরকারি দপ্তরের প্রধান সহকারী, সহকারী, উচ্চমান সহকারী সমপদের পদবি ও বেতন স্কেল এক এবং অভিন্ন ছিল। সংগঠনের দাবি দাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৈষম্য নিরসনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পরপর ৩ বার সুপারিশ করা সত্ত্বেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সুপারিশটি বাস্তবায়ন করছেনা।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.