
অদ্য ০৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)
নিজস্ব গোয়েন্দা সুত্রে জানতে পারে যে, নাফ নদীর তীরবর্তী আদমের জোড়া এলাকা দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে আসতে পারে। এ প্রেক্ষিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর ও নোয়াপাড়া বিশেষ ক্যাম্প হতে পৃথক দুটি আভিযানিকদল বর্ণিত এলাকায় কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। পরবর্তীতে আনুমানিক রাত ০১৩০ ঘটিকায় ৪-৫ জন ব্যক্তিকে নৌকাযোগে নাফ অপর পার্শ্ব হতে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে তীরবর্তী কেওড়া জঙ্গলের ভিতর দিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা করলে ওঁত পেতে থাকা বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। মাদক পাচারকারীরাদল বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে নাফ নদী ও কেওড়া জংগল দিয়ে রাতের আঁধারে নৌপথে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায়। এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সম্পূর্ণ এলাকা অবরুদ্ধ করে তল্লাশি চালিয়ে কেওড়া জঙ্গল, নদীর তীরবর্তী ও তৎসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া ও কর্দমাক্ত স্থানে পুঁতে রাখা চারটি (বিশেষভাবে মোড়কজাত) বস্তা এবং বস্তার ভিতরে ৪,০০,০০০ (চার লক্ষ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে এবং মাদক পাচারের সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি অবহিত করেছেন।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.