বারহাট্টা(নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ ৫ আগষ্ট পরবর্তী মামলা জনিত কারণে দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত থাকায় নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ও আসমা ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ২ নং সাহতা ইউনিয়নের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও আসমা ইউনিয়নের দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান। আজ ১৬ ফেব্রুয়ারী নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনার জন্য এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ খবিরুল আহসান নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বারহাট্টার গোপালপুর এলাকায় বারহাট্টা থেকে বাউসী সড়কের পাশে পতিত জায়গায় বারহাট্টা উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল ছিল। ওইদিন আওয়মী লীগ নেতাকর্মীরা বিএনপির মঞ্চ ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ এনে ৫ আগস্ট আওয়মী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর বারহাট্টা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের ছাদেক মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান লিটন, বারহাট্টা উপজেলা আওয়মী লীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল কবীর খোকন, উপজেলা শাখা আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাঈনুল হক কাসেমসহ ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০ জনকে আসামি করা হয়।
উক্ত মামলায় গত ২৮ জানুয়ারী হাজিরা দিতে গেলে আসমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চন্দু ও সাহতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চঞ্চল,চিরাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ও বাউসি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল হকের জামিন নামঞ্জুর হয়।পরবর্তীতে চিরাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ও বাউসি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল হক জামিনে মুক্ত হলেও আসমা ও সাহতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিন পাননি।

