ক ধারাবাহিক জামাতে ৪১ দিন নামাজ পড়ায় ১৭ কিশোর পেল বাইসাইকেল পুরস্কার
ইন্জিনিয়ার বাকের সরকার বাবর, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মানবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আকছিনা গ্রামে টানা ৪১ দিন তাকবিরওয়ালার সাথে নামাজ আদায়কারী ৫২ জন কিশোর ও যুবককে ১৭টি বাইসাইকেল সহ ৫২ টি পুরস্কার প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন শাখা ।
আজ ৫ ই জুলাই শনিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় আকছিনা পূর্বপাড়া ঈদগাহ মাঠে উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন জনাব মো: আলী আজগর ডিলার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো: সালাউদ্দিন আইয়ুবী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী ব্রাহ্মানবাড়িয়া -৪ ( কসবা-আখাউড়া) থেকে মনোনীত প্রার্থী জনাব মো: আতাউর রহমান সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদ উদ্দিন, আমীর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কসবা উপজেলা। সাবেক কসবা উপজেলা আমীর, দ্বীন মোহাম্মদ । গোলাম সারোয়ার, সেক্রেটারি- কসবা উপজেলা। কাজী সিরাজুল ইসলাম, কর্ম পরিষদ সদস্য ও প্রচার সম্পাদক- ব্রাহ্মানবাড়িয়া জেলা শাখা। সহকারী সেক্রেটারি, এ কে আজাদ মানিক। উপজেলা শিবির সভাপতি- সাইফুল্লাহ আল আরিফ। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী – মো: সেলিম মিয়া। মো: সালাউদ্দিন আইয়ুবী , আমীর- কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার। বিএনপি নেতা- মো: শামীম মিয়া, ব্যবসায়ী- জমসিদ মিয়া, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী – মো: গোলাম জিলানী (সুমন), আল আমিন সরকার, উপজেলা শ্রমিককল্যাণ সভাপতি – মো: শামীম রেজা প্রমুখ।
এছাড়াও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করেন ও দিকনির্দেশনা দেন।
জনাব আতাউর রহমান সরকার তার বক্তব্যে বলেন- দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ ইসলামের রাষ্ট্রের বিকল্প নেই। ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করতে হলে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে নির্বাচন ও ভোট প্রদান করতে হবে। ৫৪ বছর বিভিন্ন দলকে ভোট দিয়েছেন এবং তারা দুর্নীতি ছাড়া এই দেশকে কিছুই দিতে পারে নাই। দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একবার ভোট দিন, দেশ ও জনগনের সেবা করার সুযোগ দিন। আলোচনা শেষে ১৭ জনকে বাইসাইকেল ও ৩৫ জনকে স্কুল ব্যাগ উপহার প্রদান করা হয়। এদিকে উক্ত অনুষ্ঠানে কেন্দ্র করে এলাকায় তরুণ ও যুবকদের মধ্যে উৎফুল্ল পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
বক্তারা তাদের আলোচনায় বলেন এই অনুষ্ঠানটি কসবা উপজেলার মধ্যে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ অনুষ্ঠান হয়েছে। এদিকে এই মহতী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকার তরুণ যুবকদের মধ্যে নামাজ পড়ার প্রতিযোগিতা বেড়ে গেছে। তারা যেকোনো পরিবেশ মোকাবেলা করে জামায়াতে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার জন্য মসজিদে এসে হাজির হয়। এতে একদিকে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হচ্ছে অপরদিকে দেশ ও জাতি উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

