
বারহাট্টা(নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আহাদুল মিয়া (২৬) নামে এক ব্যাক্তি নিহতের খবর পাওয়া গেছে।রবিবার ১৩ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় উপজেলার বাউসি ইউনিয়নের শাসনউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহাদুল শাসনউড়া গ্রামের মৃত সিদ্দিক মিয়ার পুত্র।
স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে আহাদুল তার বউ আলপনার সাথে ঝগড়া করে।পূর্বেও তারা স্বামী স্ত্রী ঝগড়া করে।বিষয়টি নিয়ে দরবারও করে গ্রামের মাতাব্বররা।রবিবারে ঝগড়ার একপর্যায়ে আহাদুল তার বউ আলপনাকে মারধর করে।তখন আলপনা স্বামীর হাত থেকে বাঁচতে পাশ্ববর্তী মনহর আলীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।তখন আহাদুল তার বউকে নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে যায়।তখন মনহর আলী ও তার চার ছেলে আলমগীর, অনিক, নির্ঝর,বাবু মিলে আহাদুল মারধর করে।তখন আহাদুলও তাদের বকাঝকা করে।পরবর্তীতে সন্ধ্যায় আহাদুল বাড়ির পাশে বসে থাকা অবস্থায় আলমগীর ও তার ভাইয়েরা মিলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে।ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত আহাদুল প্রাণ বাঁচাতে দৌড় দেয়।তখন আহাদুলের ছোট্ট ভাই আওলাদ ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে আসামিরা আহাদুলেও কুপিয়ে জখম করে।পরে এলাকাবাসী এসে আহাদুল ও আওলাদকে উদ্বার করলে আহাদুলকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যায়।গুরুতর আহত আওলাদকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের বোন অনুপা জানান আমার ভাইডা কত সহজ সরল ছিল।আমার ভাইডারে এভাবে মেরে ফেলল।আমার ভাইডা জীবন বাঁচাতে দৌঁড় দিয়াও বাঁচতে পারল না।আমার ছোডো বাইডারেও মাইরালছিল।আমি আমার ভাইয়ের হত্যা বিচার চাই এবং ছোডো ভাইয়ের উপর হামলার বিচার চাই।
এ ব্যাপারে বারহাট্টা থানার অফিসার ইন চার্জ কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কামরুল হাসান জানান, নিহত আহাদুলের সুরতহাল তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।আহাদুলের সাথে আসামিদের জমি সংক্রান্ত ঝামেলা ছিল।জমির দ্বন্দ্ব থেকেই তিনজন আসামি ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে এই হত্যাকান্ড ঘটায়।এই বিষয়ে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।এবিষয়ে আইনি পক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.