
জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্র ইউনিয়নের (অমর্ত্য-ঋদ্ধ) আয়োজিত ৩৩তম সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকসহ আটক হওয়া ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
১৬ জুলাই (বুধবার) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি বক্তব্য দেন।
প্রথম দিনের সম্মেলন পরবর্তীতে শিমুল কুম্ভকারের অতীত ঘিরে ক্যাম্পাসে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ’ এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশির সময় তাকে মাদকসহ আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিনি তখন ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে আটক শিক্ষার্থীদের ব্যাগ থেকে দুটি হান্টার বিয়ার ও একটি সাদা বোতল পাওয়া যায়, যা সবুজ পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরদিন সকালে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই অতীত রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও তাঁকে জাবিতে ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোয় প্রশ্ন তুলছেন জাবির অনেক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা।
জাবি ক্যাম্পাসের একাধিক শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, এটা খুবই হতাশাজনক যে একজন বিতর্কিত এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে এমন একটি অনুষ্ঠানে বক্তা করা হয়েছে। আদর্শিক সংগঠনের নেতৃত্বে এমন বিতর্কিত চরিত্র গ্রহণযোগ্য নয়।
এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদদের (একাংশ) সভাপতি অমর্ত্য রায় বলেন, শিমুল কুম্ভকারের সাথে মাদকের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। রাজনৈতিক কারণে ওনাকে ফাঁসানো হয়েছিল।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.