Site icon Daily Dhaka Press

বারহাট্টায় স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণ মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন 

বারহাট্টা(নেত্রকোনা)প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার কাঁকুড়া এলাকায় স্কুল শিক্ষার্থী মাহিয়া সুলতানার(১৩) অপহরণকারী রিদয় খান ও অজ্ঞাতদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গ্রামাবাসী, শিক্ষার্থী ও স্বজনরা ।

বৃহস্পতিবার সকালে শতাধিক গ্রামবাসী ও  ননী গোপাল মঞ্জুশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্বজনরা এই মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর  বাবা রাজীব মিয়া একজন দরিদ্র সিএনজি চালক।ভুক্তভোগীর বাবার মোবাইল ফোনে প্রায় সময়ই আসামি রিদয় খাঁন ইমোতে কুরুচিপূর্ণ ম্যাসেজ করত এবং ফোনে কথা বলতে চাইত।বিষয়টি জানতে পেরে আসামিকে ফোন করতে নিষেধ করলে আসামি হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।গত ২০ জুলাই রাত সাড়ে এগারটার দিকে ভুক্তভোগী  প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে আসামি রিদয় মিয়া ভুক্তভোগীর গলায় ও মুখে গামছা পেঁছিয়ে আরো অজ্ঞাত দুই তিনজনের সহায়তায় অপহরণ করে নিয়ে যায়।অনেক খোঁজাখুঁজির পরও ভুক্তভোগীকে পাওয়া যায়নি।কিন্তুু পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন থেকে কৌশলে তার দাদাকে ফোন করলে ভোর সাড়ে চারটার দিকে পরিবারের লোকজন  গেরিয়া গ্রামের একটা কালভার্টের উপর থেকে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হোক। অপহরণের শিকার স্কুল শিক্ষার্থীর বাবা রাজিব মিয়া  বলেন, আমার মেয়েকে প্রেম প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে রিদয় গলায় গামছা পেছিয়ে নিয়ে যায়।আমি বিষয়টি নিয়ে বারহাট্টা থানায় অপহরণের  মামলা করেছি।কিন্তুু এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার প্রয়োজন। আমি এক্ষেত্রে সাংবাদিক সহ সকলের সহযোগিতা চাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রিদয় খান ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার ফোন করা হলেও রিসিভ হয়নি।

বারহাট্টা থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ কামরুল হাসান  বলেন, এ ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে একটি অপহরণ  মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।আর ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষাও  করা হয়েছে।সেটার রিপোর্ট আসলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

Exit mobile version