Site icon Daily Dhaka Press

হরমুজের পর লোহিত সাগর বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

বিশ্বজুড়ে ডেস্ক : হরমুজ প্রণালি নিয়ে সারা বিশ্বের উৎকণ্ঠা এখনো কাটেনি। তবে যুদ্ধ বিরতির কিছুটা দিন যেন একটু স্বস্তি। তবে আশংকা রয়েছে
যখন তখন যেকোন কিছু আবার হয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচলে ইরানের নিয়ন্ত্রণের পর এবার দেশটির সামরিক বাহিনী লোহিত সাগর বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। মার্কিন নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের পাশাপাশি লোহিত সাগরেও বাণিজ্য পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। বুধবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে নতুন করে ওই হুমকি দিয়েছে ইরান।

এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি বলেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি পূর্বসূচনা। তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনও ধরনের আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা জাহাজের ওপর সোমবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকরের ঘটনায় ওই হুমকি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের কোনও বন্দরে যাওয়া-আসা করছে না এমন জাহাজের পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।

এদিকে, ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর অপরিশোধিত তেলের দাম আবার ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। জ্বালানি বাজার খোলা মাত্রই সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ১০২.৩৭ ডলার দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড অয়েলের মূল্য ৮.৩ শতাংশ বেড়ে ১০৪.৫৬ ডলারে পৌঁছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে সমস্যায় পড়েছে বিশ্ব। ক্রমে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

Exit mobile version