নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাস্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বেশ কিছুদিন ধরেই সারা বিশ্বের তেলের বাজার অস্থির। বিভিন্ন দেশ তেলের দাম দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়ালেও বাংলাদেশ সরকার তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেছে। এবং সংবাদ মাধ্যমে বারবার বলার চেষ্টা করেছে তেলের মজুদে ঘাটতি নেই দেশে। তা স্বত্বেও আজ রবিবার থেকে তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। অকটেন হয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রোল, ডিজের ও কেরোসিন যথাক্রমে ১৩৫,১১৫ ও ১৩০ টাকা। রোববার (১৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ একটি দেশ যেখানে শেষ পর্যন্ত আমরা বাড়াইনি, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করে তাদের কথা মাথায় রেখে। আমাদেরকে সবাই বলছে আপনারা তেলের দাম বাড়াচ্ছেন না কেন, বাড়াচ্ছেন না কেন, আপনার তহবিল তো খালি হয়ে যাচ্ছে। তেলের দাম না বাড়ালে সরকার দেশ চালাবে কী করে? আইএমএফের সঙ্গে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে মন্ত্রী বলেন, আমি পরিষ্কার ভাষায় বলছি এটা, বরং দামও কিন্তু বেশি বাড়াইনি। আমেরিকাতে দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
এদিকে এক মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ল ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। এবার প্রতি কেজিতে বেড়েছে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। এর আগে এপ্রিলের শুরুতে বেড়েছিল ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। ১২ কেজিতে দাম বাড়ল ২১২ টাকা।
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) রোববার এক আদেশে বলেছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এপ্রিল মাসের জন্য অন্তর্বর্তী এ দর ঠিক করা হয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকর হবে।

