
যেই বলা সেই কাজ সাথে সাথে আমি একদম ছোটবেলা থেকে ড্রয়িংটা শুরু করি এবং মনে হয় আস্তে আস্তে আমি অয়েল পেইন্টিং, স্কেচ করা তারপরে আরও যা যা আর্টের বিষয় আছে ওগুলো শিখি। ওই সময় আমার টিচার ছিলেন ইমন স্যার। ইমন স্যার এখন অনেক বড় একজন থিয়েটার আর্টিস্ট। তখন থেকেই উনি থিয়েটার করতেন এখন তো উনি নিজেই ভীষণ ভালো অ্যাক্টিং করেন। তো যাই হোক, পরিবারের ফুল সাপোর্ট ছিল। যদিও কনজারভেটিভ ফ্যামিলিতে একসাথে এতগুলো জিনিস করার তো একটু ডিফিকাল্ট । তবে এটা বলব যে আমার পুরো পরিবার আমাকে শুরু থেকে অনেক বেশি সাপোর্ট দিয়েছে । না হলে আমি আজকে রিবা কখনোই হতে পারতাম না । স্পেশালি হচ্ছে আমার মা এবং আমার নানি। তারা কেউই এখনো এই পৃথিবীতে বেচে নেই কিন্তু তার পরও তাদের দোয়া আশীর্বাদ তাদের সাপোর্টে এই আজকে আমি রিবা হতে পেরেছি ।
তবে আমার জীবনের স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে এপ্রিলের ১৩ তারিখ অর্থাৎ এবারের চৈত্র সংক্রান্তি। যাত্রাবিরতি নামক স্থানে আমরা চৈত্র সংক্রান্তির অনুষ্ঠান করি, এবং সেখানে আমি প্রফেশনালি সবার সামনে নাচ প্রদর্শন করি। নাচ শেষে বেশ বাহবা পেয়েছি যা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। এ অনুষ্ঠানের পেছনের গল্পটা হচ্ছে, আমি যখন ২০১০ সালে মিডিয়াতে পা রাখি তখন থেকেই কোরিওগ্রাফার উপমা আমার ভালো বন্ধু। একটা রতন স্যারের একটি নাচের কোরিওগ্রাফি করতে দেখি উপমাকে তখন থেকেই ভালোলাগা ও বন্ধুত্ব দুটো বাড়ছিলো। ও নিজেও খুব ভালো নাচে তাই আমি তাকে নাচের একাডেমি খোলার ব্যাপারে মাঝেমধ্যেই বলতাম। ফাইনালি এতদিনে সে একটা নাচের একাডেমি খুলেছে,ইনস্টিটিউটের নাম হচ্ছে উপমায়া ড্যান্স একাডেমি। ওর একাডেমিতে ভর্তি হয়ে নাচের তালিমটা নেয়া হলো আমার।
সে ধারবাহিকতায় আমাদের দেশীয় লোকজ সংস্কৃতি, দেশীয়আমেজে এই যে পয়লা বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে মুখর এটার উপর কেন্দ্র করে আমরা ভারতনাট্যম ক্লাসিক্যাল এবং ফোকের একটা ব্লেন্ডেড কম্বিনেশনে খুব সুন্দর কিছু পারফরম্যান্স করি যেটা গেল এই চৈত্র সংক্রান্তিতে বিকাল পাঁচটায় যাত্রাবিরতিতে। যেহেতু ছোটবেলা থেকে আমার ভীষণ ইচ্ছা ছিল নাচের প্রতি যে ভালোবাসাটা ছিল সেটা মনে হয় আমি ফাইনালি কিছুটা হলেও দেখাতে পারলাম সেটার জন্য উপমাকে অনেক অনেক বেশি ধন্যবাদ।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.