বাংলাদেশের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বহুমাত্রিক অবদান রাখা মাটি ও মানুষের কবি, চিন্তক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল হাই মাশরেকীর ১১৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বহুমাত্রিক অনুষ্ঠামালার আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) পুরান ঢাকার দীননাথ সেন রোডের গেন্ডারিয়া কিশলয় কচি-কাঁচার মেলায় নৃত্য, সংগীত, চিত্রাংকন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে দুই দিনের অনুষ্ঠানমালা শুরু হলো।পরদিন (২৫ এপ্রিল) একই ভেন্যুতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিযোগিতায় দেড় হাজারের বেশি শিশু-কিশোর অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার তুলে দেবে বিশিষ্টজনেরা। শিগগিরই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।
শিশু-কিশোরদের এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতায় গেন্ডারিয়া কচি-কাঁচা শিল্পীগোষ্ঠী। পুরো অনুষ্ঠানটির আয়োজনে আছে কবি আবদুল হাই মাশরেকী গবেষণা কেন্দ্র, ঢাকা ও প্রশাসন বিষয়ক দেশের একমাত্র পত্রিকা ‘জনপ্রশাসন’।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তিদের এই সম্মাননা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন পেশাজীবী, গবেষক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য।
আয়োজকদের মতে, কবি মাশরেকীর জীবন ও চিন্তার পরিসর কেবল সাহিত্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; সমাজ, সংস্কৃতি ও চিন্তার জগতে তাঁর প্রভাব ছিল বহুমাত্রিক। সেই উত্তরাধিকারকে সামনে রেখে এই আয়োজনকে শুধু একটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং একটি বিস্তৃত সাংস্কৃতিক পরিসর হিসেবে সাজানো হয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য শুধু একজন কবিকে স্মরণ করা নয়; বরং তাঁর ভাবনা ও সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তাঁদের ভাষায়, “এই ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সাহিত্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং চিন্তার পরিসর বিস্তৃত করা সম্ভব।”
ডেইলি ঢাকা প্রেস/ এফওয়াই/ জেডআরসি/ ২৩ এপ্রিল ২০২৬

