নিজস্ব প্রতিবেদক : নতুন বাংলাদেশে নতুর পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রের নবযাত্রায় প্রতিদিনের বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংবাদকর্মীরা। তারা পত্রিকাটিকে দেশের আপামর জনতার কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, প্রতিদিনের বাংলাদেশ হবে দেশের গণমানুষের কন্ঠস্বর।গতকাল শনিবার প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি সভা-২০২৬ অনুষ্ঠানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভাগীয় ব্যুরো, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি অংশ নিয়ে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পত্রিকাটির প্রচার-প্রসারে মুদ্রণ সংস্করণের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলেন তারা।
রাজধানীর বিশ্বরোডস্থ কুড়িলে রংধনু কর্পোরেট অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এ সম্মেলনে উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা তাদের আবেগময় অনুভূতি ব্যক্ত করেন। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় ৩শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন। বেলা সাড়ে ১১টায় উদ্বোধনী পর্বে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু , ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান দিপু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালীন বাবলা, রংধনু গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড মিডিয়া সাইফুল ইসলাম, গ্রীন টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হাসান মাহবুব প্রমুখ।
অুনষ্ঠানে সাংবাদিকদের মানবিক পয়গম্বর বলে অভিহিত করে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান বলেন, সাংবাদিকরা জনগণের বার্তাবাহক। কেননা সাংবাদিকরা মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন-প্রত্যাশা, সমস্যা-সংকট, ঘটনা-রটনা, কালি-কলম-সেলফোন-ল্যাপটপ-ক্যামেরার মাধ্যমে তুলে ধরেন। এ কাজে প্রতিটি অঞ্চলে আপনারাই (প্রতিনিধি) আমাদের দূত বা মেসেঞ্জার।সকলের মিলনকে বসন্তের সঙ্গে তুলনা করে সম্পাদক বলেন, অনেক আগেই আমি যৌবনের সিংহদরজা পেরিয়ে জীবনের সায়াহ্নকালে পৌঁছেছি। অনেক বসন্ত পেরিয়ে আসা মানুষ আমি। আমাদের প্রকৃতিও এখন নিদাঘ গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে। বসন্তকাল বিদায় নিয়েছে বেশ আগেই। তবুও আপনাদের সবাইকে নিয়ে এই অনুষ্ঠানে মিলিত হয়ে আমার মনে হচ্ছে, এ যেন এক বসন্তের জলসা। ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত।তিনি বলেন, আজকের এই আয়োজনে আমি উদ্ভাসিত হচ্ছি প্রমত্ত আনন্দে। রুংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. রফিকুল ইসলাম এ আয়োজনে বিপুল ব্যয়ের বদান্যতা দেখানোয় তাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
পত্রিকার প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু বলেন, প্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ কাজ পত্রিকার সবচেয়ে ভালো অর্জন। বাংলাদেশে অনেক পত্রিকা রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের (বেস্ট) সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরাও চাই আপনাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ কাজটা। কেননা আপনাদেরে সর্বোচ্চটা আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো অর্জন। প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, পত্রিকা হচ্ছে সমাজের আয়না। আপনারা যে নিউজটা পাঠান তা যেন সত্য হয়, সেটার দিকে খেয়াল রাখবেন। আমরা চাই নিউজে যেন কোনও ধরনের ভুলভ্রান্তি না থাকে। এ বিষয়ে সবসময় চেষ্টা করবেন। প্রতিনিধিদের প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রতিদিনের বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোরছালীন বাবলা বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর তালিকায় প্রতিদিনের বাংলাদেশ ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। তিনি জানান, রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের নেতৃত্ব ও নিরলস প্রচেষ্টায় পত্রিকাটি তিন বছর অতিক্রম করেছে। ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি যাত্রা শুরুর পর নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে পত্রিকাটি এগিয়ে যাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, আমরা সবসময় সংবাদকে প্রাধান্য দিয়েছি। মাঠপর্যায়ে প্রতিনিধিরাই আমাদের মূল শক্তি। তাদের পরিশ্রমেই পত্রিকা এগিয়ে যাচ্ছে।

