
সোমবার সোমবার ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) থেকে শুরু হয়েছে গণনা। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং পরে ইভিএম-এর কাউন্টিং শুরু হয়েছে।
গণনায় দিনের শুরুতে তেমন পার্থক্য না থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে বিজেপি-তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যবধান এবং বর্তমানে তৃণমূলের থেকে প্রায় ১০০ আসনে এগিয়ে আছে বিজেপি।
রাজ্যের ২৯৪ আসনের মধ্যে একটি আসনের ভোট স্থগিত হওয়ায় সোমবার ২৯৩ আসনের ফল জানা যাবে। সরকার গঠন করতে হলে একটি দলকে কমপক্ষে ১৪৭টি আসন পেতে হবে।
রাজ্যের বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, "বাংলার সমস্ত হিন্দুরা আজ একজোট হয়েছেন। তারা নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়নের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিজেপি নিশ্চিতভাবেই বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে চলেছে।"
আজকের ফলাফল থেকেই নির্ধারিত হবে যে আগামী ৫ বছর পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতির মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে কাদের কাছে।ভোট গণনা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। গণনাকেন্দ্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাউন্টিং এজেন্টদের (গণনাকারী প্রতিনিধি) ঢোকার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে এবং অনুমোদনপ্রাপ্ত এই এজেন্টদের ‘কিউআর কোড’–সংবলিত পরিচয়পত্র দেওয়া হয়েছে।
কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সূত্র : আন্দবাজার পত্রিকা (ভারত)
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.