
তারেক রহমান বলেন, আমাদের নির্বাচনী যে মেনিফেস্টো ছিল, যে মিটিং ছিল সেখানে উল্লেখ করেছি- আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবো। আমরা সরকার গঠন করেছি এবং আমাদের প্রতিশ্রুত সেই খাল খনন শুরু করেছি। কারণ এই খাল খনন কর্মসূচির সাথে মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত, কৃষি জড়িত, ভূমিকম্প পর্যন্ত জড়িত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে সমুদ্রের তীর ধরে একটি রাস্তা নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে দেখলাম ৩ শতাধিক গাছ কেটে ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালাম। যাতে ডিজাইনটা পরিবর্তন করা হয়। গাছ যাতে রক্ষা পায়।
তিনি বলেন, আমরা গত ২০ বছরে যে পরিমাণ পানি মাটির তলদেশ থেকে টেনে তুলেছি, এই পরিমাণ পানি যদি খাল খননের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়েও দেই, বিশেষ করে বর্ষাকালে আসা পানি যদি এই খালের মধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেই, তবুও ২০ বছর সময় লাগবে ঘাটতি পূরণ করতে। এই ২০ বছরে দেশের জনসংখ্যা আরও বাড়বে। এর ফলের খাদ্য উৎপাদন আমাদের আরও বাড়াতে হবে। আমাদেরকে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা কমাতে হবে। এটি আমাদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে যাবে। এ বিষয়টিও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত। তাই আমাদের খাল খনন করতে হবে।
তিনি বলেন, “পদ্মা ব্যারাজটি আমরা এই জন্য করতে চাচ্ছি, যেন বর্ষা এবং শুকনা মৌসুমে কৃষকই হোক বা যে কোন মানুষ তারা যাতে পানি পায়।
“আরেকটা বিপদজনক ব্যাপার হচ্ছে, এই ফারাক্কা বাঁধ হওয়ার কারণে যেটি হচ্ছে ধীরে ধীরে, যেহেতু পানির পরিমাণ কম…সেজন্য ধীরে ধীরে যেটি হচ্ছে সমুদ্রের পানি দক্ষিণ অঞ্চলে ঢুকছে। ফলে সুন্দরবনসহ ওই সকল অঞ্চলে যেই সমস্যাগুলো আছে, লবণাক্ত পানি বেশি পরিমাণে ভিতরে চলে আসার কারণে গাছপালা নষ্ট হচ্ছে, বিভিন্ন পশু বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ।”
“কাজেই আমরা যদি সেই প্রেসারটাকে রাখতে চাই আমাদেরকে ব্যারাজটা নির্মাণ করতে হবে এবং ব্যারেজের মধ্যে আমরা পানি ধরে রাখবো। যখন বাড়তি পানি, বর্ষার মৌসুমে যে পানিটা আসে সেই পানিটি আমরা ধরে রাখতে পারব। যাতে করে সেই পানিটি আমরা আমাদের মানুষের জন্য কাজে ব্যবহার করতে পারি। সেই পানিটিকে আমরা আরো যাবতীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি।”
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.