Site icon Daily Dhaka Press

প্রতিমন্ত্রী টুকুর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ,গ্রেপ্তার ০১

নিজস্ব প্রতিবেদক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির নাম ব্যবহার করে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মো. এরশাদ আকন্দ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা বাজার এলাকায় শাহবাগ থানা ও ভূঞাপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার অর্জুনা বাজার এলাকার ফটিক আকন্দের ছেলে।

এর আগে এ ঘটনায় বুধবার (১৭ জুন) রাতে রাজধানীর শাহবাগ থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার খাষ ঘুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজা মন্ডল (৪৫)। মামলার নম্বর-২৮।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আব্দুল গাফফার হিমেল জানান, এরশাদ আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে আরও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, রাজা মন্ডলের ছেলে নাসির মন্ডল এইচএসসি পড়ুয়া শিক্ষার্থী। পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে এরশাদ আকন্দের সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পরিচয় ব্যবহার করে নাসিরকে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ১২ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে গত ৪ মে রাজধানীর শাহবাগ এলাকার একটি হোটেলের রেস্টুরেন্টে রাজা মন্ডলের কাছ থেকে নগদ ৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি অর্থ চাকরি হওয়ার পর পরিশোধ করার কথা ছিল।

তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরির ব্যবস্থা করতে না পারায় ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বুধবার রাতে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।

শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত এরশাদ আকন্দ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আগামীকাল সকালে আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Exit mobile version