আবু মেহরাজ শোয়েব: প্রাচীন পারস্য সভ্যতা (প্রায় চার হাজার বছরের) মানব ইতিহাসের অন্যতম সমৃদ্ধ, জ্ঞানদীপ্ত এবং প্রভাবশালী বলে তা একবিংশ শতাব্দীর ২০২৬ সালে এসেও প্রমাণিত হলো। সাইরাস দ্য গ্রেটের ন্যায়পরায়ণ শাসন থেকে শুরু।স্থাপত্য, বিজ্ঞান, কবিতা আর দর্শনে পারস্যের অবদান বিশ্বকে বারবার চমকে দিয়েছে। সাম্রাজ্য ভেঙেছে কিন্তু পারস্যের সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব কখনো ম্লান হয়নি।
২০২৬ সালে ইরানের সাথে ইসরায়েল -যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে ইরানের সম্মানজনক জয়লাভ প্রমাণ করে প্রাচীন এই সভ্যতার আত্মসম্মান ও লড়াকু মানসিকতা আজও কতটা জীবন্ত।এই বিজয় চার হাজার বছরের পারস্য সভ্যতার গৌরবের অবিনাশী প্রতীক।
এই অন্যায় যুদ্ধে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেছেন দীর্ঘ সময় ধরে ইরানের আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক দিশারী,যে ১৯৭৯ সালে ঘটা ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অবিসংবাদিত নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর যার বিচক্ষণতা,অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, প্রজ্ঞার কারণে বহু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও আজকের ইরানকে মধ্যেপ্রাচ্যের পরাশক্তিতে পরিণত করতে পেরেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি।
তাঁর দাফন এবং নামাজে জানাজা রূপ নেবে সম্ভবত মানব ইতিহাসের এক অভূতপূর্ব ও সর্ববৃহৎ সমাবেশে। কোটি কোটি মানুষের অশ্রুসজল অংশগ্রহণ যেন এক বিজয়ী সভ্যতার ইস্পাতকঠিন ঐক্যের মহাপ্রদর্শনী।
শিক্ষার্থী
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

