টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় সাপের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এর ফলে গত কয়েক দিনে সাপের কামড়ে অন্তত ৭৫ জন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
রবিবার (১২ জুলাই) বিকেলে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুর্গত এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। সাপের কামড়ে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বন্যাপ্রবণ এলাকায় বিশেষ মেডিক্যাল টিম নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে। এসব দল দুর্গত মানুষের কাছে ওষুধ, খাবার স্যালাইন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে। একই সঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের প্রয়োজন হলে নৌকাযোগে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জন মারা গেছেন।
এ ছাড়া এ পর্যন্ত মোট ৩৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে ১ জন রয়েছেন।ডেইলি ঢাকা প্রেস ডেস্ক:
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাপের উপদ্রব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে লোকালয়ে চলে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। এরই মধ্যে গত কয়েক দিনে সাপের দংশনে অন্তত ৭৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত হয়নি।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, দুর্গত এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাপের দংশনের শিকার রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় বিশেষ মেডিক্যাল টিম নিয়মিত কাজ করছে। এসব দল দুর্গত মানুষের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন পৌঁছে দিচ্ছে। পাশাপাশি অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু এবং সংকটাপন্ন রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে নৌপথে হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, চলমান বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। জেলা ভিত্তিক হিসাবে কক্সবাজারে সর্বোচ্চ ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে ২ জন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

