
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, যতদ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ড চালু করার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা যদি সেবার মানসিকতা নিয়ে নিজেদের নিবেদিত না রাখেন তাহলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নতি দিয়েই সফলতা আসবে না। তিনি বলেন, চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর। বর্তমান সরকার মনে করে, মানুষকে যদি শুরুতেই রোগের উৎপত্তির কারণ এবং প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন করা যায় তাহলে সহজেই অনেক রোগের নিরাময় সম্ভব। সে কারণে বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্তমান সরকার নতুন করে আরো এক লাখ হেলথ ওয়ার্কার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে। যারা নাগরিকদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সতর্ক এবং সচেতন করবেন। তবে হেলথ ওয়ার্কার বা স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে। এ সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং চিকিৎসা সেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বেশ কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি চিকিৎসাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পাবে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে হবে না।
তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার্থী কিংবা পেশাজীবীরা রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট থাকবেন কিনা কিংবা কতটা সম্পৃক্ত থাকবেন এ নিয়ে সচেতন মহলে আলোচনা রয়েছে। এর পক্ষে বিপক্ষে নানামতও রয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেহেতু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব কাজকেই প্রভাবিত করে। সেহেতু শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা পেশাজীবী সবাই যার যার মতাদর্শ অনুসারে রাজনৈতিকভাবে সুসংগঠিত থাকা কিংবা রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকা অযৌক্তিক নয়। তবে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন ঘটার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকা জরুরি।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে জ্বালানি ও বিদ্যুুৎ প্রসঙ্গে বলেন, একটি চক্র সুকৌশলে জ্বালানি কিংবা বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে, ইতিবাচক উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার সব পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানিসহ প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করতে সরকার বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলেছে।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.