
আন্তর্জাতিকভাবে সনদপ্রাপ্ত বায়োরেজিন দিয়ে তৈরি এসব ব্যাগে পলিথিন ও পলিস্টাইরিনের মতো ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান নেই। সাধারণ প্লাস্টিকের প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত এসব উপাদানের পরিবর্তে ব্যাগগুলো এমন উপকরণে তৈরি করা হয়েছে, যা ব্যবহারের পর স্বাভাবিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।
ব্যাগগুলোর মান ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) পৃথকভাবে পরীক্ষা করেছে।
প্রাকৃতিকভাবে মাটিতে মিশে যাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে ব্যাগগুলো। ফেলে দেওয়ার সাত মাসের মধ্যেই এগুলো পুরোপুরি পচে মাটির সঙ্গে মিশে যায়, এমনকি ক্ষতিকর কোনো অবশিষ্টাংশও রেখে যায় না।
পলিথিনের পরিবেশগত প্রভাব মাথায় রেখে গ্রাহকদের দৈনন্দিন কেনাকাটার অভ্যাসে ছোট পরিবর্তন আনতেই এই উদ্যোগ। এপেক্স থেকে কেনাকাটার পর পাওয়া নতুন ব্যাগটি ফেলে দেওয়ার পর তা পরিবেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী কোন প্রভাব ফেলবে না।
বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) শপিং ব্যাগ চালু করার এ উদ্যোগটি এপেক্সের পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন কর্মকান্ডের অংশ। এপেক্সের এর আগে নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবহৃত সিনথেটিক উপকরণ রিসাইকেল বা পুনর্ব্যবহার করা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং জ্বালানিসাশ্রয়ী অবকাঠামো গড়ে তোলা।
প্রকাশক : মোহাম্মদ বদরুজ্জামান তালুকদার
সম্পাদক : খান মোহাম্মদ সালেক
Copyright © 2026 Daily Dhaka Press. All rights reserved.