এই বিনয়ী উচ্চারণের মধ্যেই যেন একজন প্রকৃত উদ্যোক্তার পরিচয় লুকিয়ে আছে। কারণ একজন মানুষের সাফল্য কেবল নিজের জন্য কতটুকু অর্জন করেছেন, তা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; বরং তিনি কতজন মানুষের জীবনে কাজের সুযোগ তৈরি করেছেন, কতটি পরিবারে স্বস্তির আলো জ্বালিয়েছেন এবং কতজনকে নিজের স্বপ্নের অংশীদার করেছেন, সেখানেও সাফল্যের বড় পরিচয় নিহিত।
মামুন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠিত ELITE Lifestyle Ltd. ও ART Lifestyle Ltd. ব্র্যান্ড দু’টি কেবল পোশাকের ব্র্যান্ড নয়; এগুলো তাঁর স্বপ্ন, সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও নতুন কিছু করার সাহসের বহিঃ প্রকাশ। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে নিজস্ব ভাবনা ও গ্রাহকের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি যে পথ তৈরি করছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
আরও বড় কথা, তাঁর স্বপ্ন এখন শুধু নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সেই স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বহু মানুষের কর্মজীবন, বহু পরিবারের জীবিকা এবং একটি বৃহত্তর সম্ভাবনার গল্প। একজন উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়তো এখানেই; তিনি নিজে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অন্যদের এগিয়ে যাওয়ার পথও তৈরি করেন।
মামুন চৌধুরী শুধু সুন্দর ব্র্যান্ড তৈরির জন্য নয়; বরং স্বপ্ন দেখতে এবং দেখাতে সাহস করার জন্য, সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য এবং অন্য মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য এমন দু-চারটা পুরস্কার পেতেই পারেন।
ELITE ও ART আরও সমৃদ্ধ হোক, আরও মানুষের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি করুক। তাঁর বড় স্বপ্নগুলো একদিন আরও বড় বাস্তবতায় রূপ নিক; এটাই প্রত্যাশা।
সম্প্রতি মামুন চৌধুরী নেপাল-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ অ্যাওয়ার্ডের জন্য নমিনেশন পেলে তিনি তাঁর ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে লেখেন :
তিন শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান ছাড়া পুরস্কৃত হওয়ার মতো তেমন কিছু করতে পারিনি। তারপরও বিশাল বিশাল স্বপ্ন দেখা থামাইনি।
মামুন চৌধুরীর এই কথাটি অনেক নেটিজেনের হৃদয় গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।
তিনি এই প্রসঙ্গে পার্থ প্রতীম নন্দী নামক এক গণমাধ্যম কর্মী বলেন, আপনি আমার দেখা অন্যতম বিরল একজন গুণী মানুষ! আপনার আরও অনেক সম্মাননা অপেক্ষা করছে নিশ্চিত।
মামুন চৌধুরীর ELITE ও ART এই দুই ব্র্যান্ড তাই কেবল পোশাকের নাম নয়; শতসহস্র মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা।
তিনি আরো লিখেন, সুস্থ, সুন্দর আর এমনই মানবিক থাকুন।
প্রথাবিরোধী হিসেবে বিবেচিত মামুন চৌধুরী মেধা-মননে একজন তরুণ উদ্দীপ্ত মানুষ। তাই তিনি কেবল তরুণদের কর্মসংস্থানই নয়, তাঁদের মাটিভেশন দিতেও লিখে চলেন ক্ষুরধার লেখা। তারই বাস্তব প্রতিফলন ঘটে ২০২০ সালে তাঁর লেখা প্রথম প্র্রকাশিত গ্রন্থ ‘বিপ্লবই আমার জীবন‘ এ। যে বইয়ের ভূমিকা লেখেন আরেক খ্যাতিমান সম্পাদক আবেদ খান।
তারুণ্যের মোটিভেশনে ‘বিপ্লবই আমার জীবন’
ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি ক্ষুরধার ভাষায় সময়ের ডায়েরিতে লিখে চলেন তরুণদের পথ নির্দেশিকা।
এদেশের তরুণ-তরুণীদেও নিছকই কারণে প্রতিনিয়ত আত্মহত্যার প্রবণতায় তিনি ব্যাপক ব্যথিত হলে এবং তাঁর হৃদয় ভারাক্রান্ত হলে, ব্যথিত চিত্তে ভাষায় প্রকাশ করে যান সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে লিখে রাখেন তারুণ্যের শোকগাথা!
আপাদমস্তক শিল্পমনা এই মানুষটি ELITE ও ART ব্র্যান্ড দু’টির সিইও মামুন চৌধুরী বর্তমানে ব্যবসার পাশাপাশি ‘সারা দিনের সংবাদ’ নামক জনপ্রিয় পোর্টাল সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিন শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান ছাড়া পুরস্কৃত হওয়ার মতো তেমন কিছু করতে পারিনি। তারপরও বিশাল-বিশাল স্বপ্ন দেখা থামাইনি : মামুন চৌধুরী

