Site icon Daily Dhaka Press

রাজধানীর মেরাদিয়ায় বাসে আগুন, চালক দগ্ধ

* দগ্ধ বাস চালক সবুজের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’, তার শরীরের ২৮% শতাংশ পুড়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর ডাকা দ্বিতীয় দফার অবরোধের শুরুর দিকে রাজধানীর মেরাদিয়ায় একটি বাসে দেওয়া আগুনে দগ্ধ হয়েছেন চালক।

এছাড়া জাহাঙ্গীর গেইটের কাছে বিএএফ শাহীন কলেজের সামনে প্রাইভেট কার ও অটোরিকশা ভাঙচুর করার খবর এসেছে।

পুলিশ বলছে, রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাঁশপট্টি এলাকায় বাসে আগুন দেওয়া হয়। এরপর দগ্ধ চালক মো. সবুজকে (৩০) উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে ভর্তি করা হয়।

খিলগাঁও থানার পরিদর্শক (অপারেশন) এম এ হাসান বলেন, “ সকালে অছিম পরিবহনের ওই বাসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত আগুন দেয়। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।“

বাসটি মিরপুর থেকে ডেমরা রুটে চলাচল করে জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “পুলিশ দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

সবুজের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ জানিয়ে বার্ন ইন্সটিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, “তার (সবুজ) তার শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, শরীরের শতকরা ২৮% শতাংশ পুড়ে গেছে।“

মেরুলবাড্ডার আনন্দনগরে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন সবুজ। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহয়ের ফুলপুর উপজেলার গোদারিয়ায়।

এদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএফ শাহীন কলেজের সামনে লাঠি-সোঁটা নিয়ে একদল লোক এসে অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে বলে তেজগাঁও থানার এস আই জামিলুর রহমান জানান।

তিনি বলেন, “প্রথমে দুই দিক থেকে ৮ থেকে ১০ জন দুর্বৃত্ত লাঠি নিয়ে এসে একটি অটোরিকশার গ্লাসে আঘাত করলে তা ভেঙে যায়। সে সময়ে ওই রাস্তায় প্রাইভেট কার এবং কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর করে তারা।“

ঘটনাস্থলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং ট্রাফিক পুলিশ ছিলেন জানিয়ে এস আই জামিলুর বলেন, “অটোরিকশায় হামলা চালানোর পরপর পুলিশ সদস্যরা তাদের দিকে ছুটে গেলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।“

এ ঘটনায় পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান এস আই জামিলুর রহমান।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকা দ্বিতীয় দফার অবরোধ শুরুর আগের রাতে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলার সড়কে অন্তত দশটি বাস এবং একটি প্রাইভেট কারে আগুন দেওয়া হয়েছে, সিরাজগঞ্জে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় একটি অফিস।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে শনিবার সন্ধ্যা থেকে রোববার ভোরের মধ্যে ছয় জেলায় এসব অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে তবে কারো হতাহতের খবর আসেনি।

Exit mobile version