নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। যার ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে উঠে সিরিজ নির্ধারণী। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ব্যাটে ভর করে আড়াইশ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ব্যাটারদের পর কিউইদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বোলাররাও। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমান। এই বাঁহাতি পেসারের ফাইফারে কোনোরকমে দুইশ ছুঁয়ে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।
মেহেদী হাসান মিরাজের ঘটনাবহুল ওভারে সমাপ্তি হলো সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডের। ৪৪.৫ ওভারে নিউ জিল্যান্ডকে ২১০ রানে থামিয়ে ৫৫ রানের জয় পেল বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রান করে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। টাইগারদের হয়ে ৩০ রানে ৫ উইকেট শিকার করে সেরা বোলার মুস্তাফিজ।
২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। নতুন বলে বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কিউই শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই বাঁহাতি পেসার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজের বাউন্স সামলাতে পারেননি হেনরি নিকোলস, টপ এজ হয়ে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ৪ রান করে নিকোলস ফেরায় ভাঙে ৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শুরুতেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’উরকের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আউট হওয়ার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার। ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে হাফ-সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ৫ বলে ১ রান করেন তিনি। ৯ রানে ২ উইকেট হারানো দলের হাল ধরান চেষ্টা চালান নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। ২৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন সৌম্য। চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। শুরুতে দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকলেও ক্রমেই কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন তারা। তাতেই বাড়তে থাকে বাংলাদেশের ইনিংস। জুটিতে দুজন মিলে তোলেন ১৬০ রান।
মেহেদী হাসান মিরাজের ঘটনাবহুল ওভারে সমাপ্তি হলো সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডের। ৪৪.৫ ওভারে নিউ জিল্যান্ডকে ২১০ রানে থামিয়ে ৫৫ রানের জয় পেল বাংলাদেশ।
